বিনোদন সংবাদ, ঢাকা

টেলিভিশন নাটকের সঙ্গে জড়িত দুটি সংগঠন অভিনয় শিল্পী সংঘ ও টেলিভিশন অ্যান্ড ডিজিটাল প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের নির্বাচন এ মাসেই হতে পারে। দুই বছর পর নির্বাচন হতে যাচ্ছে সংগঠন দুটির। এরই মধ্যে গত মাসে সংগঠন দুটির বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। গঠিত হয়েছে নির্বাচন কমিশনও। প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে নির্বাচনের।

সংগঠন দুটির নেতারা জানিয়েছেন, এ মাসেই আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁরা পেয়ে যাবেন নতুন নেতৃত্ব। এ মাসে না হলে সর্বোচ্চ আগামী মাসের প্রথম সপ্তাহে তা চলে যেতে পারে। তবে নির্বাচনের ডামাডোলের মধ্যে আলোচনা হচ্ছে সংগঠন দুটির নতুন ভোটার নিয়ে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, গত দুই বছরে অভিনয় শিল্পী সংঘের ভোটার বেড়েছে শতাধিক। অভিনয় শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক আহসান হাবিব নাসিম জানালেন, দুই বছর আগে ভোটের সময় এই সংগঠনের সদস্য ছিলেন ৭১৫ জন। এ বছর শ–খানেক সদস্য বৃদ্ধি পেয়েছে। সবাই পূর্ণ সদস্যপদ পেয়েছেন। এর বাইরে শতাধিক অভিনয়শিল্পী প্রাথমিক সদস্য হিসেবে আছেন। জানালেন, দুই ধরনের সদস্য নেওয়া হয় সংগঠনে। এর মধ্যে প্রাথমিক সদস্যরা ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন না।নতুন সদস্য নেওয়ার পদ্ধতি প্রসঙ্গে নাসিম বলেন, অভিনয়শিল্পীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একটি বোর্ডের কাছে মৌখিক পরীক্ষা দিতে হয়। তবে এর আগে কিছু নিয়মকানুন মেনে আবেদন করতে হয়। মৌখিক পরীক্ষায় পাস করার পরই কেবল মিলেছে সদস্যপদ।

তবে অভিনয়শিল্পী বাড়লেও সে রকম কাজের ক্ষেত্র বাড়েনি বলে জানান নাসিম। এখন উল্টো কাজের ক্ষেত্র কমেছে। তবু ভোটার বাড়ার কারণ সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘অভিনয় শেখার ইনস্টিটিউশন হয়েছে। বেশ কয়েকটি থিয়েটার আছে। তারা আবেদন করে নিয়মিত। সেখান থেকে বাছাই করে শিল্পী নেওয়া হয়।’ তবে ভোটার তালিকা এখনো চূড়ান্ত হয়নি। নাসিম জানালেন, কাল (আজ) নির্বাচন কমিশনের মিটিং রয়েছে। তারপরই চূড়ান্ত করা হবে সদস্য তালিকা।

অভিনয় শিল্পী সংঘের সদস্য বাড়লেও শ–খানেক সদস্য কমেছে টেলিভিশন অ্যান্ড ডিজিটাল প্রোগ্রাম প্রডিউসারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ নামের প্রযোজকদের সংগঠনটির। সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ইরেশ যাকের জানালেন, দুই বছর আগে নির্বাচনের সময় সদস্য ছিলেন ২১৯ জন। এখন সদস্য ১৪০ জন। তবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকার সময় আরও কিছু বাড়তে পারে।

ইরেশ যাকের বলেন, ‘আমাদের সংগঠনটি বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্ত হয়েছে। এফবিসিসিআইয়ের সদস্য হওয়ার জন্য আবেদন করা হয়েছে। এ কারণে বেশির ভাগ প্রযোজক ও প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ ব্যবসায়িক কাগজপত্র দরকার ছিল। এটা অনেকেই জমা দিতে পারেননি। এ কারণে তাঁরা বাদ পড়েছেন। তবে কিছু সদস্য হালনাগাদ কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই-বাছাই চলছে। সব মিলিয়ে নির্বাচনের আগে হয়তো ১৫০-১৬০ জন সদস্য ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।’

তবে শেষ পর্যন্ত কী হয়,  তাই দেখার বিষয়।

সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুনঃ

Facebook comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>