অনলাইন ডেস্ক:
গণপূর্ত এবং প্রকল্প সংশ্লিষ্ট ৩৩ প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদে এ তথ্য পেয়েছে দুদক।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে বালিশকাণ্ডে সরকারের ৩৬ কোটি টাকা অপচয় হয়েছে। গণপূর্ত ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ঠ ৩৩ প্রকৌশলীকে জিজ্ঞাসাবাদে এসব তথ্য পেয়েছে দুদক। অন্যদিকে ফরিদপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সাড়ে ৩৭ লাখ টাকার পর্দাসহ ১৬৬ চিকিৎসা সরঞ্জাম কেনাকাটায় দুর্নীতির অভিযোগে বুধবার চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে দেশের দুর্নীতি বিরোধী সংস্থাটি।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে এক বালিশের দাম ধরা হয় ছয় হাজার টাকা। এছাড়াও রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পে বৈদ্যুত্যিক চুলা, টেলিভিশনসহ বিভিন্ন কেনাকাটায় রীতিমত হরিলুটরে অভিযোগ। এমন দুর্নীতির মাধ্যমে সরকারের ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩৬ কোটি টাকা। সরকারকে আর্থিক ক্ষতিতে লাভবান হয়েছেন ঠিকাদার আর গণপূর্ত অধিদপ্তরের প্রকল্প সংশ্লিষ্ট প্রকৌশলীরা।

শুধু তাই নয়, দরপত্রের ৮ মাস আগেই আসবাবপত্র সরবরাহ করা হয়। গেল পাঁচদিনে ২৮ জন প্রকৌশলীকে দুদকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মিললো এসব তথ্য।

এ বিষয়ে দুর্নীতি দমন কমিশনের সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেন, বিষয়টি নিয়ে এখনও অনুসন্ধান চলছে। তবে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে তাতে দুর্নীতি সুস্পষ্ট ধারণা বা কি পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে তা ধারণা পাওয়া গেছে।

এদিকে, ফরিদপুরে পর্দা কেলেঙ্কারির ঘটনায়ও বুধবার চারজনকে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করেছে দুদক। প্রাথমিকভাবে অস্বাভাবিক মূল্যে পর্দা কেনার সত্যতাও পেয়েছে দুদকের অনুসন্ধান দল।

ফরিদপুর মেডিক্যালে পর্দা ক্রয়ে দুর্নীতির বিষয়ে দুদক সচিব মুহাম্মদ দিলোয়ার বখত বলেন, ‘কার কাছ থেকে পর্দা কিনেছে এবং সেখানে কেনাকাটায় অর্থ আত্মসাৎ হয়েছে কি না সে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে। তদন্তে যে তথ্য পাওয়া গিয়েছে এবং আগে যেসব তথ্য প্রকাশিত হয়েছে সবগুলো তথ্য বিশ্লেষণ করে তদন্ত কর্মকর্তা সিদ্ধান্তে পৌঁছাতে পারবেন।’

দুদক বলছে, অনুসন্ধানে দুর্নীতি প্রমাণিত হলে মামলা দায়ের করা হবে।

সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুনঃ

Facebook comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>