নেপাল ধরঃ- ময়মনসিংহ সদর উপজেলা ৭নং চরনিলক্ষীয়া ভূমি অফিসের সহকারি কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা দীর্ঘদিন যাবত চাকরির সুবাদে শম্ভুগঞ্জ ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ব্যাপক অনিয়ম দুর্নীতি এবং ভূমি সংক্রান্ত বিষয়ে সেবাগ্রহীতা লোকজনদের সাথে অশালীন অসৌজন্যমূলক আচরণ করে আসছে বলে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও সেবা গ্রহীতা লোকজনের অভিযোগ রয়েছে। নাসরিন সুলতানার কাছে সেবা নিতে আসা এলাকার নিরীহ ও সরল প্রকৃতির লোকদের নামজারি এবং খাজনা আদায় সংক্রান্ত বিষয়ে কালক্ষেপণ সহ বিভিন্নভাবে হয়রানি করে যার ফলে এলাকায় উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। তাছাড়াও তার কথামতো তাকে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে ও অতিরিক্ত টাকা দিলে সে খুব দ্রুতই কাজ করে দেয়। নামজারী ও খাজনা আদায় সংক্রান্ত বিষয় সরকার নির্ধারিত ফি’র চেয়ে বেশি টাকা দাবি করলে চরাঞ্চলের নিরহ ও সহজ সরল জনসাধারণ অতিরিক্ত টাকা দিতে ব্যর্থ হয়, ফলে খারিজ ও খাজনা আটকে দিয়ে তাদের হয়রানি করে। এমনকি তিনি এলাকার সুশীল সমাজের প্রতিনিধি থেকে শুরু করে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও মুক্তিযোদ্দাদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ব্যাপারে গত ২৪ শে জুন ময়মনসিংহ সিটি কর্পোরেশনের ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহজাহান মুনির এলাকাবাসীর পক্ষে জেলা প্রশাসকের বরাবর একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। এরই প্রেক্ষিতে বিষয়টি সরেজমিনে তদন্ত করার দায়িত্ব দেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে। গত ১৯ আগস্ট অভিযোগটি সরেজমিনে তদন্ত করার জন্য এসিলেন্ট অফিসের কানুনগো মুজিবুর রহমান সরাসরি তদন্তে যান। এ সময় শম্ভুগঞ্জ ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয়ে শতাধিক লোকের উপস্থিতিতে সাক্ষ্যগ্রহণ করেন। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে কানুনগো মুজিবুর রহমান বিক্ষুব্ধ জনগণকে আসক্ত করে বলেন উক্ত বিষয়টি জেলা প্রশাসক অভিযুক্তের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। এছাড়াও গত ২২ শে আগস্ট সোমবার সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার সাথে সাক্ষাৎ করেন ৩৩ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর শাহজাহান মুনির, ৭ নং চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ফারুকুল ইসলাম রতন, বীর মুক্তিযুদ্ধা হযরত আলী, শম্ভুগঞ্জ বাজার ব্যবসায়ী ও পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সভাপতি রফিকুল ইসলাম ছাড়াও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন। এসময় নির্বাহী কর্মকর্তা মহোদয় বলেন উপসহকারী নায়েব আব্দুল লতিফকে বদলি করা হয়েছে পাশাপাশি ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তা নাসরিন সুলতানা বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে আশ্বস্ত করেন।শম্ভুগন্জ চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়ন ভূমি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৩৩নং ওয়ার্ড কাউন্সিলার ও গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গের দেয়া এতশত অভিযোগের পরও জেলাপ্রশাসক মহোদয় এবং
সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার পাঠানো তদন্ত কর্মকর্তার রিপোর্ট ভেস্তে গেল। বদলী হল, উপসহকারী নায়েব আঃ লতিফ, যার বিরুদ্ধে এত অভিযোগ তিনিতো আছেন বহাল তবিয়ৎতে এ নিয়ে অভিযোগকারীগন সহ এলাকাবাসি ক্ষুব্ধ।
নাসরিন সুলতানা এখন স্থানীয় পত্রিকার কথিত সাংবাদিক দাঁড়া মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করা সহ এলাকায় গ্রপিং লবিং এ ব্যস্ত। অভিযুক্তের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক কোন ব্যবস্থা না নেওয়ায় ৭নং চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়ন এবং ৩৩ নং ওয়ার্ডের লোকজনের মাঝে টান টান উত্তেজনা বিরাজ করছে। উক্ত বিষয়ে সাধারণ ভুক্তভোগী ও সচেতন মহল প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা করছেন।

সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুনঃ

Facebook comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>