স্টাফ রিপোর্ট:: আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বাকী আছে মাএ কয়েক মাস। এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়নি নির্বাচন কার্যক্রম।তবে সম্ভাব্য প্রার্থীরা প্রচার প্রচারণা শুরু করেছে। জেলার ১০৫টি ইউপিতে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য প্রার্থীরা এখন মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন। তবে তৎপরতা বেশি আওয়ামী লীগ ও বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের।ভোটাররা এখনই আলোচনা শুরু করেছেন।

সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলার ৮নং কসকনকপুর ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী হিসেবে এলাকার ভোটারদের কাছে এবার চমক দেখাতে যাচ্ছেন হাতিডহর গ্রামের চেয়ারম্যান প্রার্থী
আব্দুল হাই বেবুল।

তিনি উপজেলার কসকনকপুর ইউনিয়নের হাতিডহর গ্রামের এক স্বমান্ত সপরিবারের সন্তান।

গত কয়েকদিন আগে তিনি তার ব্যক্তিগত ফেইছবুক আইডিতে লিখেন আমার জীবনে ১৯৬৮ সালে ছাত্রলীগের রাজনীতিতে সাথে জড়িয়ে পড়ি।এরপর থেকে আমি বিভিন্ন আন্দোলন সংগ্রামে সবার সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করেছি। ১৯৬৯ এর গন আন্দোলনে ১৯৭০ এর সাধারণ নির্বাচনে ছাত্রলীগের একজন সক্রিয় কর্মী হিসাবে বিভিন্ন আন্দোলনে অনেক দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট ছিলাম। সেখান থেকেই আওয়ামীলীগ এর রাজনীতিতে আমার সম্পৃক্ততা।তারপর আমি থানা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেছি।বর্তমানে জকিগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি হিসাবে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। বাংলাদেশের মধ্যে আন্তর্জাতিক সেচ্ছাসেবী সংস্থার মধ্যে একটি হলো সীমান্তিক। তিনি সীমান্তিকের একাধিক বার সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন। বর্তমানে তিনি সীমান্তিক এর সভাপতির দায়িত্ব সততার পালন করে যাচ্ছেন।

তিনি তার এলাকার হত-দরিদ্র জনগণকে বিভিন্নভাবে সাহায্য সহযোগিতা করে সকলের প্রাণ ছুঁয়েছেন।এরই মধ্যে নির্বাচন নিয়ে কসকনকপুর ইউনিয়নে প্রত্যন্ত অঞ্চলে চা দোকান থেকে শুরু করে প্রতিটি অলি-গলিতে চলছে নানা আলোচনা-পর্যালোচনা। শুরু হয়েছে এই চেয়ারম্যান প্রার্থীর গণসংযোগ ও এলাকায় এলাকায় দৌড়ঝাঁপ।

কসকনকপুর ইউনিয়নের একাধিক গ্রামের একাধিক ব্যক্তিরা জানান,আব্দুল হাই বেবুল একজন নিরহংকারী ও সাদা মনে মানুষ। এত দায়িত্বশীল ব্যক্তি হওয়া সত্বেও তার চলাফেরা সবসময় সাধারণ মানুষের মতো।পাশাপাশি তিনি একজন শিক্ষিত সাহসী ও প্রতিবাদী এবং পরোপকারী মানুষ । তার মতো মিষ্টভাষী, সৎ ও ন্যায় পরায়ণ একজন ব্যক্তিকে কসকনকপুর ইউনিয়নে চেয়ারম্যান হিসেবে বড় প্রয়োজন।

এক প্রতিক্রিয়ায় আব্দুল হাই বেবুল দৈনিক জৈন্তাবার্তা’কে জানান, বৈশ্বিক মহামারি করোনাকালীন সময়ে জনপ্রতিনিধি না হয়েও এলাকার একজন সাধারণ মানুষ হিসেবে অত্যন্ত গোপনে কর্মহীন ও অসহায়দের পাশে থাকতে সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। আগামীতে এলাকার অবেহেলিত ও অসহায় মানুষের পাশে থেকে কাজ করতে চাই।

আগামী নির্বাচনে কসকনকপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী হবেন বলে মত প্রকাশ করেন। এ সময় তিনি আরো বলেন, অসহায় ও দরিদ্র মানুষের পাশে দাঁড়ানো এবং তাদের প্রতি দানের হাত বাড়িয়ে দেওয়া রসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত এবং মানবিক কর্তব্য।

এলাকার মানুষের পাশে থাকা এবং এলাকার উন্নয়নে নিজেকে উৎসর্গ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করে বলেন, মানুষের মধ্যে নিজেকে সর্বদাই সেবার ব্রত নিয়ে তাদের পাশে আছি থাকবো ইনশাআল্লাহ। তাই এলাকার সাধারণ মানুষ আমাকে ভালোবাসে।এর ফলে কসকনকপুর ইউনিয়ন পরিষদের জনগণ আমাকে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করার জন্য তাগিদ দিয়ে আসছেন। সাধারণ মানুষের আগ্রহ বেড়ে গেছে আমাকে নির্বাচনে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে দেখার জন্য।

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, আল্লাহ যদি আমাকে ইউপি চেয়ারম্যান হওয়ার সুযোগ দান করেন।তাহলে আমি কসকনকপুর ইউনিয়ন কে সন্ত্রাস, দখলবাজ,চাঁদাবাজ ও মাদকমুক্ত করে কসকনকপুর ইউনিয়নকে একটি মডেল হিসেবে গড়তে চাই। তিনি আরো বলেন, জনগণের আস্থা ও বিশ্বাস নিয়ে এলাকার উন্নয়নে সারা জীবন কাজ করে যেতে চাই। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।

সংবাদটি সম্পর্কে মন্তব্য করুনঃ

Facebook comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

You may use these HTML tags and attributes: <a href="" title=""> <abbr title=""> <acronym title=""> <b> <blockquote cite=""> <cite> <code> <del datetime=""> <em> <i> <q cite=""> <s> <strike> <strong>